ঢাকা, বাংলাদেশ || শনিবার, ৩ অক্টোবর, ২০২৬
সারাদেশ

বেনাপোলে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থী সংবর্ধনা, ‘গর্বিত মা’দের ক্রেস্ট প্রদান

প্রতিনিধি

শহিদুজজামান উজ্জ্বল:

বেনাপোলে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থী সংবর্ধনা, ‘গর্বিত মা’দের ক্রেস্ট প্রদান

বেনাপোলে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থী সংবর্ধনা, ‘গর্বিত মা’দের ক্রেস্ট প্রদান

‘তোমাদের মেধা, তোমাদেরই জয়, নতুন সুপ্রভাত, তোমাদের হাতেই রচিত হোক দীপ্ত ভবিষ্যৎ’- এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে বেনাপোল পৌরসভার জিপিএ-৫ প্রাপ্ত কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা, শিক্ষা বৃত্তি প্রদান এবং সন্তানকে সুশিক্ষায় শিক্ষিত করার নেপথ্য কারিগর ‘গর্বিত মা’দের সম্মানে ক্রেস্ট প্রদান করা হয়েছে।

শনিবার (৩ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১০টায় বেনাপোল পৌর বিয়ে বাড়িতে আনন্দঘন পরিবেশে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বেনাপোল পৌর বিএনপির সহসভাপতি শাহাবুদ্দিন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন কেন্দ্রীয় বিএনপির সাবেক দপ্তর সম্পাদক ও যশোর-১ (শার্শা) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য মফিকুল হাসান তৃপ্তি।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মফিকুল হাসান তৃপ্তি বলেন, সন্তানের সাফল্যের নেপথ্যে মায়েদের দিন-রাতের পরিশ্রম ও দোয়া অতুলনীয়। এই অর্জন শুধু শিক্ষার্থীদের একার নয়, এটি পরিবার, সমাজ ও দেশের গর্ব। আগামীর পথে তাদের উৎসাহিত করতেই তরুণ নেতা এমদাদুল হক এমদাদের এই ক্ষুদ্র প্রয়াস।

অনুষ্ঠানের আয়োজক ছিলেন বেনাপোল পৌরসভার মেয়র পদপ্রার্থী, যশোর জেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ও শার্শা উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব এমদাদুল হক এমদাদ।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বেনাপোল পৌর বিএনপির সহসভাপতি নাসিমুল গনি বল্টু ও সাহাদুর রহমান খোকন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম রেজা, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল আহাদ, পুটখালী ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান হবি, বিএনপি নেতা তাজউদ্দীন, শার্শা উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক আল মামুন বাবলু এবং মরিয়ম মেমোরিয়াল বালিকা বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক ইন্তাজুর রহমানসহ অনেকে।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, শিক্ষার্থীদের মেধা ও পরিশ্রমের পাশাপাশি বাবা-মায়ের ত্যাগ, শিক্ষক-শিক্ষিকাদের আন্তরিকতা এবং পরিবারের সহযোগিতা তাদের সাফল্যের পেছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। কৃতি শিক্ষার্থীদের এ অর্জন ভবিষ্যতে উচ্চশিক্ষা ও দেশ গঠনে তাদের আরও উৎসাহিত করবে।

অনুষ্ঠানে সংবর্ধিত কৃতি শিক্ষার্থীদের হাতে সম্মাননা স্মারক ও শিক্ষা বৃত্তি তুলে দেওয়া হয়। একই সঙ্গে সন্তানদের সাফল্যের পেছনে মায়েদের অনন্য অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে তাদের হাতে বিশেষ সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান করা হয়।

আয়োজক এমদাদুল হক এমদাদ বলেন, ‘সন্তানের সাফল্যে মায়ের মুখে হাসি-এই তো জীবনের সবচেয়ে বড় খুশি। কৃতি শিক্ষার্থীদের এই সাফল্য শুধু তাদের নিজেদের নয়, বরং পরিবার, অভিভাবক ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেরও গর্ব। তাদের ভবিষ্যৎ শিক্ষা জীবনের পথচলায় উৎসাহ যোগাতে এবং মায়েদের অবদানকে সম্মান জানাতেই আমাদের এই আয়োজন।’

শেয়ার করুন