ভারতে যাওয়ার পথে গ্রেপ্তার মেহেরপুর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান এম এ খালেক
প্রতিনিধি
নিজস্ব প্রতিবেদক:

ভারতে যাওয়ার পথে গ্রেপ্তার মেহেরপুর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান এম এ খালেক
চিকিৎসার জন্য ভারতে যাওয়ার পথে চুয়াডাঙ্গার দর্শনা আন্তর্জাতিক ইমিগ্রেশন চেকপোস্টে গ্রেপ্তার হয়েছেন মেহেরপুর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান এম এ খালেক। বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সকালে ইমিগ্রেশন চেকপোস্টে কাগজপত্র যাচাইয়ের সময় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
এম এ খালেক মেহেরপুরের গাংনী বাজারের থানা রোড এলাকার বাসিন্দা এবং মোজাহার আলী বিশ্বাসের ছেলে। পুলিশ জানিয়েছে, তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে।
ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট সূত্রে জানা যায়, চিকিৎসার জন্য মেডিক্যাল ভিসায় ভারতে যাওয়ার প্রস্তুতি নিয়ে বৃহস্পতিবার সকালে দর্শনা আন্তর্জাতিক ইমিগ্রেশন চেকপোস্টে যান এম এ খালেক। এ সময় কাগজপত্র যাচাইয়ের মধ্যে ইমিগ্রেশন পুলিশের সন্দেহ হলে তার বিষয়ে গোয়েন্দা সংস্থার মাধ্যমে খোঁজ নেওয়া হয়। যাচাই-বাছাইয়ে তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলার তথ্য পাওয়া যায়।
পরে বিশেষ ক্ষমতা আইনে দায়ের করা একটি মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। খবর পেয়ে মেহেরপুরের গাংনী থেকে গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের একটি দল দর্শনায় গিয়ে তাকে হেফাজতে নেয়। পরে তাকে নিয়ে গাংনীর উদ্দেশে রওনা হয় দলটি।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ১৩ এপ্রিল গাংনী থানায় বিশেষ ক্ষমতা আইনে একটি মামলা করা হয়। ওই মামলায় এম এ খালেককে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।
দর্শনা আন্তর্জাতিক ইমিগ্রেশন চেকপোস্টের সাব-ইন্সপেক্টর তারিক জানান, এম এ খালেকের নামে বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা থাকায় ইমিগ্রেশন পুলিশের সন্দেহ হয়। পরে গোয়েন্দা সংস্থার মাধ্যমে যাচাই করে তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা থাকার তথ্য নিশ্চিত হওয়ার পর তাকে আটক করা হয়।
তবে এম এ খালেকের ছেলে আসিফ রেজার দাবি, তার বাবা দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ। তার হৃদ্যন্ত্রে ব্লক রয়েছে এবং বাইপাস সার্জারির জন্য তাকে ভারতে নেওয়া হচ্ছিল। তার দাবি, বাবার নামে থাকা মামলাগুলোর সবকটিতেই তিনি জামিনে রয়েছেন।
এম এ খালেক মেহেরপুর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এর আগে তিনি উপজেলা চেয়ারম্যানের দায়িত্বও পালন করেছেন।
